আমরা ভুলে যাই ওরা (রোহিঙ্গা) আমাদের ভাই –

এদেশে থেকে ইসরায়েলসহ মুসলিমদের শত্রুদের বিরোধিতা করা সহজ, জনপ্রিয়তাও মিলে। কিন্তু দেশীয় তাগুত, জালেম, চাদাবাজের বিরোধিতা করা কঠিন ও জুলুমের শিকার হতে হয়, সাহসেরও প্রয়োজন হয়। সমাজের জুলুমের বিরোধীতায় খুব কম লোককে পাশে পাওয়া যায়। বহুদূরে মুসলিম বোনের নির্যাতন, ধর্ষনের প্রতিরোধ করার ইচ্ছে থাকলেও সাধ্য আমাদের নেই। কিন্তু যখন আমাদের অতি পাশে প্রতিবেশী বোনটা ধর্ষিত […]

হিকমাহ না তাকিয়া?

শিয়াদের নিকট তাকীয়া (التقية)-র অর্থ হল: নির্ভেজাল মিথ্যা, অথবা সুস্পষ্ট মুনাফেকি (কপটতা); যেমনিভাবে তাদের বর্ণনাসমূহ থেকে তা পরিষ্কার ও সুস্পষ্ট। এক্ষেত্রে মনে শত্রুতা রেখে তারা বাহিরে বন্ধুত্বের অভিনয় করে। কিন্তু বর্তমানে অনেক রাজনৈতিক দলের সদস্যদের মাঝে তা বিদ্যমান। যদিও একে তারা হিকমাহ নাম দেয়। তারা নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয়, উদ্দেশ্য লুকিয়ে ক্ষমতাসীনদের লোকের সদস্য হিসেবে পরিচয় […]

আমরা কাদের ক্ষমতা দেবার জন্য রক্ত ঝরাচ্ছি?

একই দেশে, একই সমাজে আমাদের বেড়ে উঠা। একই মেঠোপথ, সড়ক, রাজপথে চলে, একই স্কুল-মাদ্রাসায় আমাদের পড়াশোনা। একই মাঠে খেলাধুলা ও আড্ডা, একই নদী-পুকুরে আমাদের আনন্দ গোসল। একই আযান শুনে একমাত্র রসুলকে (সা:) আদর্শ মেনে একই ঈমামের পিছনে কাতারবন্দী সালাত পড়া। জুমা, ঈদে গলা গলা মিলানো কিন্তু বড় হয়ে কেন আমরা একে অপরের গলা কাটতে চাই। […]

চাদাবাজদের রুখতে হবে!

কিছু জালেমের পতন ঘটলে তা হতে শিক্ষা না নিয়ে নতুনরা জালেমের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। বারবার ক্ষমতার পতন ঘটে, জনগনের নিরাপত্তা কি মিলে? খুন, চাদাবাজী, হত্যা, ধর্ষন সবই চলমান শুধু লোকজন ও দল ভিন্ন। কারণ জুলুমের আইন একই থাকে, আর এই আইনে নিকৃষ্ট মুনাফেক, মুরতাদরা বারবার শাসনক্ষমতা পায়। এসকল দল, নেতা, চাদাবাজরা আসলে কাকে ইলাহ মানে […]

ধর্ষক ও চাঁদাবাজদের রুখতে হবে

আমাদের অনেকের দাবি আমরা এদেশে জন্মেছি তাই গর্বিত বাঙ্গালি। কারো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, কারো নব স্বাধীনতার চেতনা গর্বের কারণ। আবার কারো কারো দাবি পীর, আউলিয়ার দেশ তাই এদেশে রহমত বিদ্যমান। অথচ বাস্তবতা ভিন্ন! আমাদের জন্ম হয়েছে আল্লাহর ইচ্ছেয় এতে আমাদের কোন অবদান নেই। শুধুমাত্র সৃষ্টিসূত্রে শ্রেষ্ঠ দাবিদার করেছিল শয়তান। সেই আগুনের তৈরি সেজন্য শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করে […]

নোবেল পুরস্কার মানুষকে বিভ্রান্ত করার ষড়যন্ত্র!

কোন কাফের, মুশরিক শান্তিতে নোবেল পেলে বা মনোনিত হলে ওয়াজ করে নোবেল কমিটি শয়তান, ইহুদি-খ্রিস্টানের প্রতিষ্ঠান। তারা নিজেদের ঘনিষ্ঠদের পুরষ্কার দেয়। অথচ নিজদেশের মুসলিম নামধারী কেউ ফেলে সতর্ক না হয়ে বরং গর্ব করে জাতি। কেন এই দ্বৈত নীতি? শান্তির জন্য পুরষ্কার কতটা যৌক্তিক? কোন কাফেররা নবী-রসুলদের শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী বলেনি, তাদের শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নেয় নি। বরং […]

আমরা কার পক্ষ নিবো- (ইরান ও ইসরায়েল)?

আকীদা বিপরীত হলে শিয়াদের সমর্থন করা যায় কিন্তু আকীদা বিশুদ্ধ হলেও মাসায়ালাগত দ্বন্দ্বের কারণে মুজাহিদদের বিরোধিতা করে তারা। ইরানের আক্রমণে দুই একটা শিশু মরলেও জায়েজ কারণ সত্যিই বর্তমান যুদ্ধগুলোয় শত্রু, নিরীহ শিশু আলাদা করা সম্ভব নয়। কিন্তু কোন মুজাহিদদের আক্রমনে কিছু নিরীহ মরলে তখন খারোজী উপাধি মিলে। ইরানের বিরোধিতা করলে যে ইহুদিদের দালাল হতে হবে […]

প্রকৃত মুসলিমদের আমরা ভুলে যাই!

চারপাশে মুসলিম দাবিদার, সবাই দাবি করে আল্লাহ ও তার রসুলকে (সা:)ভালোবাসে। তবু পরিস্থিতি কেন ভিন্ন? কেউ নিজ অর্থ, শ্রম, ইলম দ্বারা ইসলাম প্রচার করে গালি খায়, জেল ও জুলুমের শিকার হয়। আবার কেউ বক্তব্য দিয়ে জনপ্রিয় হয়, অর্থ আয় করে। কুফর-শির্কের অর্থ বদলে যায় সময়ের সাথে। আগের শাসনামলে যা শির্ক-কুফর ছিল একই আইন বর্তমানে বিদ্যমান […]

টাকায় ছবি কি শরীয়াভিত্তিক?

প্রায় প্রতিটি দেশে অর্থের মাঝে রয়েছে তাগুতের ছবি। কারো মন্দির/ধর্মীয় স্থাপনা বা জালেম রাজাদের স্থাপত্য শিল্পের ছবি। আবার আমাদের রয়েছে রাষ্ট্রীয় উপাসনালয়ের ছবি যা সংসদ নামে খ্যাত। যেখানে কুরআন বিরোধী আইন রচনা ও পরিচালনা করা হয়। অধিকাংশ মুসলিমরা মন্দিরের ছবির বিরোধিতা করবে কিন্তু রাষ্ট্রীয় উপসনালয় সংসদের বিরোধিতা করবে না যেখান কুরআন বিরোধী আইন রচনা করে […]

ক্ষমতার জন্য ধর্মীয় আবেগ নিয়ে মৃত্যু খেলা!

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সনাতনী অনুসারী হত্যা হয় ভারতে।জাতের নামে, বিভিন্নভাবে তারাই তাদের হত্যা করে চলছে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম হত্যাকারীর অন্যতম পাক সেনারা – এক রাতে ১০ হাজার ফিলিস্তিনী হত্যা করে যা black September নামে খ্যাত। বেলুচিস্তানের হাজার হাজার, আফগানে ৪ লাখ মুসলিম মারতে সাহায্য করেছিল। ধর্ষনের সংখ্যা অনেক বেশি। বাংলাদেশেরটা বাদই দিলাম। আর সিন্ধ, […]