দাজ্জালের ফিতনা আলোচনা করলে শ্রেষ্ঠ সাহাবীরাও ভয় পেতেন। আর এখন কিছু বক্তা, ইউটিউবার জনপ্রিয়তা ও অর্থ অর্জনের জন্য এমনভাবে দাজ্জালের কথা আলোচনা করছে মানুষের মনে ভীতি নয় বরং কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
আর এটা হলো ভয়ংকর ফিতনা। দাজ্জালের বিরুদ্ধে খলিফা মাহাদী হাফি, ঈসা (আ:) মুসলিমদের জিহাদ, পালানোর নির্দেশ আছে। কিন্তু আজ অনেকের এমন অবস্থা যদি দাজ্জাল এসে যায় তারা যেন কৌতূহল নিয়ে দেখতে যাবে দাজ্জালকে। অথচ দাজ্জালের সাথে সম্পর্ক শির্ক, ঈমান হারানোর, দুনিয়ার ফিতনার।
এসব ইউটিবারের বক্তব্য শুনে মানুষ সমকালীন শির্ক, ফির্কা, শিরকী রীতিনীতি, জাতীয়তাবাদ, ধর্মের ভুল ব্যাখা, জুলুম-নির্যাতন বাদ দিয়ে দাজ্জাল নিয়ে আজগুবি কাহিনী বলে।
কিভাবে আশা করা যায় তাদের বক্তব্য শুনে দাজ্জালের ফিতনা হতে রক্ষা পাবে? আর নূহ (আঃ) এর সময় বন্যায়/আযাবে তারাই রক্ষা পেয়েছিল- যারা শিরকমুক্ত হয়ে আল্লাহর প্রতি ঈমান এনে নূহ (আঃ) এর অনুসরণ করেছিল। তেমনি দাজ্জাল আসার পূর্বে যারা শিরকমুক্ত থাকবে রসুলের (সাঃ) নির্দেশ অনুযায়ী- খলিফা মাহাদীর (হাফিঃ) দলে যোগ দিবে। তারাই ফেতনা হতে বাঁচতে পারবে।
নবী, রসুলগণ যতবার দাজ্জালের আলোচনা করেছেন তার চেয়ে বহুগুন বেশি শয়তান, তাৎকালীন জালেম শাসক ও শিরকের বিরোধিতা করেছেন।
