বিগত সরকারের চেয়ে বর্তমান সরকার ভালো, অথবা অতীতে আরও ভালো শাসনব্যবস্থা ছিল—এমন ধারণা থেকেই অনেকে তাদের উত্তম ও বৈধ শাসক হিসেবে মেনে নেয়। অথচ আইন সবসময় একই রকম থাকে, যা মানবরচিত এবং শির্কপূর্ণ।
এই ধরনের তুলনা এমন যে—হিন্দুধর্মের চেয়ে খ্রিস্টধর্ম উত্তম। তাই হিন্দুধর্ম ছেড়ে খ্রিস্টধর্ম অনুসরণ করা উত্তম হবে। কিন্তু এটি যদি কেউ মনে করে, তাহলেও সে জাহান্নামের শাস্তি পাবে। তেমনি ইসলাম বাদ দিয়ে মানবরচিত শাসকদের চাটুকারিতা, অনুগত্য জাহান্নামের পথে নিবে।
এটা মূল বিষয় না কার শাসনামল অধিক উত্তম যেখানে প্রতিটি শাসক তাগুত ও উভয়ক্ষেত্রে কমবেশি জুলুম বিদ্যমান।
অনেক তথাকথিত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের চেয়ে পাশ্চাত্যের দেশগুলো উন্নত। তাহলে কি তাদের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করতে হবে? অথচ তাদের এই সমৃদ্ধির পেছনে রয়েছে মুসলিমদের সম্পদ লুণ্ঠন, রক্ত ঝরানোর ইতিহাস এবং মুনাফিক শাসকদের ষড়যন্ত্র।
আল্লাহ বলেন-
হে মুমিনগণ! তোমরা ইয়াহুদী ও নাসারাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, তারা পরস্পর পরস্পরের বন্ধু। আর তোমাদের মধ্যে কেউ তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহন করলে সে নিশ্চয় তাদেরই একজন। নিশ্চয় আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে হেদায়াত দেন না। (সুরা মায়েদাহ- ৫১)
তাদের আদর্শ অনুসরণ করতে নিষেধ করা হয়েছে।
আজও জুলুম চলছে, জালেমরা আজও মুক্ত। আজও দুর্নীতি হচ্ছে, যেমনটি অতীতেও হয়েছিল। অল্পদিনে ক্ষমতা পেয়ে আজও অবৈধ সম্পদের মালিক হচ্ছে অনেকে। কারণ রাষ্ট্রে ইসলামী আইন নেই, খেলাফায়ে রাশেদীনের সময়ের মত শাসকের জবাবদিহিতা নেই। তাকওয়াপূর্ণ মুসলিমরা ক্ষমতায় নেই।