এক সময় আমরা কওমী জননী উপাধি দিতে দেখেছি। বঙ্গবন্ধুকে মহান মুসলিম নেতা উপাধি দিয়েছিল। তাদের এই সুযোগে মুজিবের মূর্তি গড়ে উঠেছিল দেশজুড়ে। এখন তাকে জালিম, ঘোড়ার ডিম বলছে।
বর্তমানে কাউকে আপোষহীন নেত্রী বলা হচ্ছে, আলেমরা জাতিকে পথ দেখাবে কি, তারা আজ বিপথে চলছে। হা, নেত্রী আপোষহীন ছিলেন- যৌবন হতে শুরু করে জীবনে কখনও মেকআপের সাথে আপোষ করেনি, পর্দা করেনি। জাতীয়তাবাদ, গনতন্ত্র কুফরী আদর্শ কোনদিন বিসর্জন দেয়নি। ক্ষমতা থাকা অবস্থায় সন্তান, দলের লোকদের দুর্নীতির বিচার করেননি। জাতীয় দিবসগুলোতে শহীদ মিনার, স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিতে তিনি ছিলেন আপোষহীন। স্বাধীনতা চেতনার নামে মূর্তিগুলো সংরক্ষণ, রক্ষা করতে আপোষহীন ছিলেন।
আল্লাহর আইন বাদ দিয়ে মানবরচিত আইনে অটল থেকেছেন, মানুষ ও রাষ্ট্রের উপর প্রয়োগ করেছেন। তার সাথে জোট বেঁধে তথাকথিত ইসলামী দল নামক কুফরি দল নিজেদের প্রচারনা করেছে, ইসলামের নামে মানুষকে কুফরী গনতন্ত্রের পথে ডেকেছে। ইসলামী ব্যাংক নামক সুদের ব্যাংকের ব্যাপাক প্রসার করেছে। তবুও আমরা ইসলামের পথে দাওয়াহ ও হিদায়েতের দুআ করবো।
জনপ্রিয়তা, ক্ষমতা অর্জনের জন্য মিথ্যা প্রশংসার ফিতনা হতে আলেমদের আল্লাহ হিদায়েত দিক। পর্দার ওয়াজও করবেন আবার বেপর্দা নেত্রীর প্রশংসাও করবেন। অনেক আলেম আছে স্ত্রীদের তালাক দেয় ঠিকমত পর্দা করে না অজুহাতে। আবার বেপর্দা নারী নেত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করা গর্বের মনে করে, এগুলো কি দ্বিমুখিতা নয়?
