তাওহীদ না শিখিয়ে তাগুত ও তার অনুসারীরা রোযা না রাখার জন্য শাস্তি দেয়। এটা রিয়া আমল ছাড়া কিছুই নয়। অথচ আকীদা বিশুদ্ধ না হলে আমল কবুল হবে কি? তাগুত, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র শির্কে ওরা নিজেরাই লিপ্ত। অথচ বিলাসী হোটেলগুলোতে মদ, পতিতালয় ঠিকই চলে, সুদের ব্যাংকগুলোতে কারা নিরাপত্তা দেয়?
পেটের জন্য যারা পতিতাবৃত্তি করে তাদের পিঠিয়ে কেউ বীর হয় আবার আধুনিক পতিতা (মডেল, তারকারা) স্যার, ম্যাডাম উপাধি পায়। চোর, ছিনতাইকারী ঘৃণা করলেও আমাদের করের টাকায় যারা কুফরী আইন চালু রাখে, তার রক্ষা করে তারা আবার প্রশংসিত।
ওরা গরিব নিরীহকে সামান্য অপরাধে লাঠি চার্জ করতে পারে ঠিকই কিন্তু আবার তাগুতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। ক্ষমতার বদল ঘটলেও তাদের দায়িত্ব একই থাকে – মানবরচিত সংবিধান ও আইন রক্ষা, তার পৃষ্ঠপোষকদের নিরাপওা নিশ্চিত রাখা। যাতে শাসকরা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে।
ফুটপাতের দোকান ভাঙ্গা সহজ, ঘুষের টাকা ফেলে আবার চালু হয় ব্যবসা। কিন্তু সড়কে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মূর্তি ভাঙ্গতে যান ওরাই আবার কঠোর হবে। উল্টো এসব বিদআত, শির্ক রক্ষায় মুমিনের গায়ে আঘাত করতে দেরি হবে না।
ভেজাল বিরোধী অভিযান চলছে ঠিকই – দামী হোটলে অবৈধ আয়ের টাকায় বহুজন মদ, পতিতালয়ে বিলীসিতা করছে। তাদের সম্পদের জবাবদিহিতা চাওয়া হয় না। রাস্তায় মোড়ে মোড়ে সিগারেটের দোকান। মনে হয় সিগারেটই একমাত্র ভেজালমুক্ত তাই ধরা ও বন্ধ হয় না।
একদিকে বাহারী ইফতার, বিলাসী জীবনযাপন দিয়ে নিজেদের ইসলামের খেদমতকারী প্রচার করছে। অথচ রসুল (সা:) ও সাহাবীদের কম খাওয়া ও দানের সুন্নাহ মানছে না। দুজনের খাওয়া তিনজনের হতে পারে। (বুখারী)
অথচ তিনজনের খাওয়া ওরা একজনে খায়। ওদের পেটগুলো দেখুন মুমিনের মত না কাফের, ফাসেকদের মতো? ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মু’মিন এক পেটে খায় আর কাফির অথবা মুনাফিক সাত পেটে খায়। (বুখারী, মুসলিম)।
একদিকে পর্দার বয়ান দিবেন আবার বেপর্দা নারীদের সাথে বসে ইফতার করবেন কি শিখবে আপনাদের ছাত্ররা?
কোন ইসলামের দিকে ডাকছেন- রসুল (সা:) ও সাহাবীদের? না পশ্চিমাদের অবিষ্কৃত গনতান্ত্রিক ধর্মে? মূর্তি পাহারা দিয়ে মুশরিকদের সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব হয়নি!
আল্লাহ বলেন-
আর ইয়াহুদী ও নাসারারা আপনার প্রতি কখনো সন্তুষ্ট হবে না, যতক্ষণ না আপনি তাদের মিল্লাতের অনুসরণ করেন। বলুন নিশ্চয় আল্লাহর হেদায়াতই প্রকৃত হেদায়াত। আর যদি আপনি তাদের খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করেন আপনার কাছে জ্ঞান আসার পরও, তবে আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার কোন অভিভাবক থাকবে না এবং থাকবে না কোন সাহায্যকারীও। (সুরা বাকারাহ -১২০)
তারপরও কি বিবেক জাগ্রত হবে না? ধর্ষকেরও আইনজীবী পাওয়া যায় আর মুমিনকে উগ্রবাদী ট্যাগ লাগিয়ে মামলা দিলে স্বজনও ভয়ে সাক্ষাৎ করে না। এই হলো মানবরচিত আইন ও তার বিচারব্যবস্থা। গরীব, অসহায়ের উপর কঠোর আর জালেম, জুলুমের ক্ষেত্রে উদার।