অবহেলিত শ্রমিক ভাইবোনদের পাশে দাঁড়াই!

একদিকে সামান্য বেতনের জন্য আন্দোলনরত পোষাক শিল্পের শ্রমিকগণ। যাদের হালাল আয়ে নিজ পরিবার ও দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়।

সেদিকে বেখেয়াল জাতি। অন্যদিকে হারাম খেলায় কোটি টাকা আয় করা খেলোয়াড়ের অসুস্থতা নিয়ে ব্যস্ত মিডিয়া। বহু মিডিয়া, সরকারি উচ্চ কর্মকর্তা প্রতিনিয়ত তার খোজ খবর রাখছে।

তার খেলা, জীবন ইসলাম ও মুসলিমের কোন উপকারে এসেছিল? ইসলামে সে কি অবদান রেখেছে? শুধু হারাম খেলা দেখার জন্য অনেকে হয়তো ফরজ সালাত পড়েনি।

তবু আমরা সবার হেদায়েত ও উত্তম হায়াত কামনা করি।

মুমিন নামধারীদের শোকের অভাব নেই। অন্যদিকে, দু’মুঠো ভাতের জন্যই যেন আন্দোলনরত গরিব শ্রমিকদের পুলিশের বেতের আঘাত সহ্য করতে হচ্ছে। এভাবে মিডিয়া আমাদের ব্রেইন ও বিবেক নিয়ে ক্রীড়ারত। অথচ – কত রাজনীতিবীদ মানবরচিত সংবিধান ও চিন্তাচেতনার আহ্বানকারী তাগুত ও তাদের অনুসারীরা সভাবেশ ও ইফতার পার্টি চালিয়ে যাচ্ছে।

আবার নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষীরা মিছিল-সমাবেশ করে। তখন সড়কে যানজট লাগলেও কারও চেতনা জাগ্রত হয় না। তাদের ওপর কঠোরতা আসে না, যতটা নিরীহদের ওপর আসে।

আপনাদের লাঠি-অস্ত্রগুলো যেন শুধু গরিব ও অসহায়দের জন্যই কঠোর! অথচ তাগুতদের নিরাপত্তা, সুদের ব্যাংকের পাহারা, মূর্তির রক্ষায় আপনারা সর্বদা সতর্ক ভূমিকা পালন করেন।

প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও কোলের শিশুর ধর্ষণের বিচার হয় না। বরং কারাগারে এসব ধর্ষকদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়া হয়। সাধারণ জনগণ যদি আইনের (শরীয়ার) আওতায় তাদের বিচার চাইতে যায়, তখন উল্টো তাদের উগ্রবাদী আখ্যা দিয়ে বন্দি করা হয়। যাদের আইন বর্জন করা ছিল ঈমানের দাবি, তারা তাদের রক্ষা করে চলেছে।

আল্লাহ বলেন-

অর্থাৎ, ওদের কি এমন কতক অংশীদার আছে, যারা বিধান দেয় এমন দ্বীনের যার উপর আল্লাহ অনুমতি দেননি? (সূরা শুরা-২১ আয়াত)

আল্লাহ আরো বলেন,

এবং আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তদনুসারে যারা বিধান দেয় না তারাই তো কাফের। (সূরা মায়েদাহ ৪৪ আয়াত)

বিবেক জাগ্রত করুন! মানবরচিত আইনে চাকরি ইসলাম হতে বের করে দিয়েছে আপনাদের। তওবা করে ইসলামে ফিরে আসুন, নাহলে কাফের অবস্থায় মৃত্যু চলে আসতে পারে।

আপনারা যদি অধিকাংশ লোক মিলে সিদ্ধান্ত নেন যে শরীয়াহ আইন ছাড়া চাকরি করবেন না, তাহলে এসব তাগুত ও তাদের সংবিধান নিমিষেই শেষ হয়ে যাবে।

আর যাকাত, সদকা, হাদিয়া দিয়ে এই দুঃসময়ে ওদের সাহায্য করি। ওদের সঠিক ইসলামের দাওয়াহ দিও- সুদ, কর, জুলুমমুক্ত এমন এক রাষ্ট্রব্যবস্হার দিকে যা কেবল ইসলামী রাষ্ট্রে সম্ভব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *